মূল অংশে যান

info@snbbd.org +৮৮০ ১৬৭৩-৩৬১৫৭১

English
মেনু

info@snbbd.org · +৮৮০ ১৬৭৩-৩৬১৫৭১

এসএনবির গঠনতন্ত্র — সোসাইটি অব নিউরোলজিস্টস অব বাংলাদেশ

এই বাংলা অনুবাদটি খসড়া — এসএনবি-এর পর্যালোচনার অপেক্ষায় · ইংরেজি সংস্করণটিই দাপ্তরিক

প্রস্তাবনা – দেশের সকল নিউরোলজিস্ট “সোসাইটি অব নিউরোলজিস্টস অব বাংলাদেশ” নামে একটি সংগঠন গড়ে তুলতে ইচ্ছুক হয়ে নিজ নিজ স্বাক্ষরে এই গঠনতন্ত্র লিপিবদ্ধ করলেন।

  • নাম : সোসাইটির নাম “সোসাইটি অব নিউরোলজিস্টস অব বাংলাদেশ”।
  • নিবন্ধিত কার্যালয় : সোসাইটির নিবন্ধিত কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত থাকবে।
  • সিলমোহর : সোসাইটি একটি চিরস্থায়ী উত্তরাধিকারসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান, যার একটি দাপ্তরিক সিলমোহর থাকবে।
  • দাপ্তরিক ভাষা : বাংলা ও ইংরেজি উভয়ই

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:

  • নিউরোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার নিয়ে কাজ করবেন এমন নিউরোলজিস্টদের জন্য একটি অলাভজনক ও অরাজনৈতিক ফোরাম প্রতিষ্ঠা ও গঠন করা।
  • বাংলাদেশের নিউরোলজিস্টদের মধ্যে ঐক্যের চেতনা, পারস্পরিক সহযোগিতা, সংহতি ও সৌভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি ও বজায় রাখা।
  • বাংলাদেশের নিউরোলজিস্টদের স্বার্থ, অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা রক্ষা ও এগিয়ে নেওয়া এবং তাঁদের মর্যাদা, সম্মান ও গৌরব সমুন্নত রাখা।
  • গবেষণা, সেমিনার, ক্লিনিক্যাল সভা ও গণবক্তৃতার মাধ্যমে নিউরোলজিক্যাল রোগ সম্পর্কিত জ্ঞানের চর্চা সংগঠিত করা এবং তা এগিয়ে নেওয়া, সমৃদ্ধ করা ও ছড়িয়ে দেওয়া।
  • নিউরোলজিক্যাল ডিজঅর্ডারের প্রতিরোধ ও চিকিৎসা বিষয়ে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
  • একটি নিয়মিত জার্নাল প্রকাশ করা।
  • অনুরূপ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে কর্মরত অন্যান্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠনকে সহায়তা ও সহযোগিতা করা এবং সেগুলোর সঙ্গে অধিভুক্ত ও যুক্ত হওয়া।
  • সোসাইটির উদ্দেশ্য এগিয়ে নিতে সহায়ক বলে বিবেচিত যেকোনো প্রবন্ধ, সাময়িকী, বই বা পুস্তিকা মুদ্রণ, প্রকাশ ও বিতরণ করা।
  • দেশে একটি জাতীয় স্নায়ুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট (National Institute of Neurosciences) প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা।

সাধারণ সদস্য

  • বাংলাদেশের নিউরোলজিস্টগণ সাধারণ সদস্য হবেন।
  • বাংলাদেশের যেকোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বা কর্মরত ছিলেন এমন নিউরো-মেডিসিন/নিউরোলজি বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক ও তার ঊর্ধ্বতন পদধারীগণ।
  • নিউরোলজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি/ডিপ্লোমাধারী (বিএমডিসি-স্বীকৃত) যেকোনো ব্যক্তি।
  • ইন্টারনাল মেডিসিনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি/ডিপ্লোমাধারী (বিএমডিসি-স্বীকৃত) যেকোনো ব্যক্তি, যিনি বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠানের নিউরো-মেডিসিন/নিউরোলজি বিভাগে সহকারী অধ্যাপকের নিচের পদে অন্তত দুই বছর ধারাবাহিকভাবে কর্মরত আছেন। তিনি নিউরোলজির চাকরি ছেড়ে দিলে তাঁর সদস্যপদ সহযোগী সদস্যপদে পরিবর্তিত হবে।
  • সদস্যপদের যোগ্যতা নিয়ে কোনো বিরোধ বা মতভেদ দেখা দিলে তা এই উদ্দেশ্যে কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক গঠিত উপযুক্ত কমিটির কাছে পাঠানো হবে। সেই কমিটির সিদ্ধান্ত কার্যনির্বাহী কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হবে এবং কার্যনির্বাহী কমিটির গৃহীত সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

সহযোগী সদস্য

  • সহযোগী সদস্য হবেন মেধা ও সুনামসম্পন্ন একজন মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট, যিনি অন্যান্যভাবে সোসাইটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত। সহযোগী সদস্যের ভোটাধিকার থাকবে না।

সম্মানসূচক সদস্য

  • সম্মানসূচক সদস্য হলেন এমন ব্যক্তি, যিনি সদস্য বা সহযোগী সদস্য কোনোটিই নন, কিন্তু অন্যভাবে সোসাইটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এগিয়ে নিতে এবং এর ভাবমূর্তি গড়তে অবদান রেখেছেন; সোসাইটি তাঁকে এই সম্মান প্রদান করবে। সম্মানসূচক সদস্যের ভোটাধিকার থাকবে না।

আজীবন সদস্য

  • সাধারণ সদস্য বা সহযোগী সদস্য হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন যেকোনো ব্যক্তি একসঙ্গে ৫০০০/- টাকা চাঁদা দিয়ে আজীবন সদস্য হতে পারবেন। আজীবন সদস্য হিসেবে ভর্তি হওয়ার পর তাঁকে আর বার্ষিক চাঁদা দিতে হবে না। তাঁদের নাম সংগঠনের রেজিস্টারে আজীবন সদস্য হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হবে।

প্রতিষ্ঠাতা সদস্য

  • প্রথম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার দিনের আগে যাঁরা সাধারণ সদস্য হয়েছেন, তাঁরা প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বলে গণ্য হবেন। তাঁরা চাঁদা পরিশোধ করবেন এবং সাধারণ সদস্যদের সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন; সংগঠনের রেজিস্টারে তাঁদের নাম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হবে।

কার্যনির্বাহী কমিটি

  • সোসাইটির গঠনতন্ত্র ও উপবিধির বিধানসাপেক্ষে সোসাইটির কার্যাবলি একটি কার্যনির্বাহী কমিটি পরিচালনা করবে, যা সোসাইটির প্রধান অঙ্গ হবে। এটিই একমাত্র সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ, এবং আদেশ জারি করা ও নিয়ম ও পদ্ধতি নির্ধারণের সকল ক্ষমতা এর হাতেই থাকবে। কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হবে:
পদবি সংখ্যা
সভাপতি ১
সহ-সভাপতি ২
মহাসচিব ১
যুগ্ম সম্পাদক ১
কোষাধ্যক্ষ ১
সাংগঠনিক সম্পাদক ১
বৈজ্ঞানিক সম্পাদক ১
প্রকাশনা সম্পাদক ১
সদস্যবৃন্দ ৬
পদাধিকারবলে : অব্যবহিত পূর্ববর্তী সভাপতি ১
অব্যবহিত পূর্ববর্তী মহাসচিব ১

নির্বাচন

  • কার্যনির্বাহী কমিটি বার্ষিক সাধারণ সভায় সদস্যদের গোপন ব্যালটে দুই পঞ্জিকাবর্ষের মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হবে।
  • অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠান করা সম্ভব না হলে বিদ্যমান কমিটি দায়িত্বে বহাল থাকবে, তবে প্রথম সুযোগেই বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠান করবে।

নির্বাচনের যোগ্যতা ও কার্যপদ্ধতি

  • নির্বাচনের অন্তত দুই মাস আগে যে সদস্যদের চাঁদা পরিশোধিত হয়েছে, তাঁরা কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে ভোট দেওয়ার ও প্রার্থী হওয়ার যোগ্য।
  • সকল নির্বাচন পরিচালনা করবে দুজন সদস্যের একটি নির্বাচন কমিশন, যাঁরা সংশ্লিষ্ট মেয়াদে নিজেরা প্রার্থী হবেন না।
  • কোনো পদাধিকারীর পদ শূন্য হলে কার্যনির্বাহী কমিটি সাধারণ সদস্যদের মধ্য থেকে কো-অপশনের (সহযোজন) মাধ্যমে তা পূরণ করবে।

কার্যনির্বাহী কমিটির ক্ষমতা ও কার্যাবলি

  • সোসাইটির সকল বিষয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে আলোচিত হবে এবং সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কমিটিতে গৃহীত হওয়ার পর কার্যকর করা হবে।
  • কার্যনির্বাহী কমিটি বছরে অন্তত চারটি সভা করার চেষ্টা করবে, যার জন্য ন্যূনতম দুই সপ্তাহের নোটিস দিতে হবে। তবে নির্দিষ্ট আলোচ্যসূচিসহ জরুরি সভা তিন দিনের নোটিসে আহ্বান করা যাবে। জরুরি সভায় গৃহীত কোনো সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ পরবর্তী কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় অনুসমর্থন (অনুমোদন) করাতে হবে।
  • সভাপতি: তিনি সোসাইটির সাংবিধানিক প্রধান হবেন। তিনি কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এবং সাধারণ সভাতেও সভাপতিত্ব করবেন। মহাসচিব সভা আহ্বান করতে ব্যর্থ হলে তিনি যেকোনো সভা আহ্বান করতে পারবেন।
  • সহ-সভাপতিগণ: তাঁরা সকল কর্মকাণ্ডে সভাপতিকে সহায়তা করবেন। সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি (দুজনই উপস্থিত থাকলে তাঁদের মধ্যে জ্যেষ্ঠজন) সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
  • মহাসচিব: তিনি সোসাইটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হবেন এবং সদস্যদের রেজিস্টার, সোসাইটির ও বার্ষিক সাধারণ সভার কার্যবিবরণী ও কার্যধারাসহ সকল নথি সংরক্ষণ করবেন।
  • মহাসচিব:
  • মহাসচিব: তিনি সোসাইটির পক্ষে যথাযথ রসিদ প্রদান করে চাঁদা ও দানের আকারে সকল তহবিল গ্রহণকারী কর্মকর্তা হবেন। এ ধরনের সকল তহবিল কোষাধ্যক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
  • মহাসচিব: বাজেট অনুযায়ী ব্যয় করার ক্ষমতা তাঁর থাকবে।
  • মহাসচিব: সভাপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে সকল সভা আহ্বানের দায়িত্ব তাঁর থাকবে।
  • মহাসচিব: তিনি সোসাইটির সম্পদের দায়িত্বে থাকবেন এবং একটি মজুত বহি (স্টক রেজিস্টার) সংরক্ষণ করবেন।
  • মহাসচিব: ৬ তিনি নিয়োজিত কর্মচারীদের কাজ তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনা দেবেন, নিয়ম অনুযায়ী ছুটি মঞ্জুর করবেন এবং বেতনভুক্ত পদে শূন্যতা দেখা দিলে অস্থায়ী ব্যবস্থা করবেন।
  • মহাসচিব: দৈনন্দিন ব্যয় ও জরুরি প্রয়োজন মেটানোর জন্য মহাসচিবের কাছে ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা থাকবে।
  • মহাসচিব: জরুরি অবস্থায় তিনি পরিস্থিতি অনুযায়ী উপযুক্ত বিবেচিত যেকোনো পদক্ষেপ নেবেন এবং তা সভাপতিকে অবহিত করবেন।
  • মহাসচিব: তিনি সোসাইটির পক্ষে দেশে ও বিদেশে সকল যোগাযোগ ও পত্রালাপ পরিচালনা করবেন।

যুগ্ম সম্পাদক

  • যুগ্ম সম্পাদক মহাসচিবকে সকল কাজে সহায়তা করবেন, যেমন কার্যালয় দেখাশোনা, পত্রালাপ পরিচালনা, সভার আলোচ্যসূচি প্রস্তুত ও হিসাববিবরণী প্রস্তুত ইত্যাদি।
  • যেকোনো কারণে মহাসচিবের দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে তিনি মহাসচিবের দায়িত্বে থাকবেন।
  • কার্যনির্বাহী কমিটি/মহাসচিব কর্তৃক অর্পিত সকল কাজ তিনি সম্পাদন করবেন।

কোষাধ্যক্ষ

  • তিনি সকল তহবিল সংগ্রহ করবেন, অনুমোদিত ব্যাংকে জমা দেবেন এবং আয় ও ব্যয়ের যথাযথ হিসাব রাখবেন।
  • বার্ষিক সাধারণ সভায় সোসাইটির যথাযথভাবে নিরীক্ষিত হিসাব উপস্থাপনের দায়িত্ব তাঁর থাকবে। এ ছাড়া সভাপতি চাইলে তিনি কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় হালনাগাদ হিসাববিবরণী উপস্থাপন করবেন।
  • সোসাইটির ব্যাংক হিসাব (ক) সভাপতি, (খ) মহাসচিব ও (গ) কোষাধ্যক্ষ — এই তিনজনের যেকোনো দুজনের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে।
  • কার্যনির্বাহী কমিটি/মহাসচিব কর্তৃক অর্পিত সকল কাজ তিনি সম্পাদন করবেন।

সাংগঠনিক সম্পাদক

  • সোসাইটির লক্ষ্য এগিয়ে নিতে সংগঠন গড়ে তুলতে এবং যেখানে শাখা নেই সেখানে শাখা গঠনে তিনি মহাসচিবকে সহায়তা করবেন।
  • কার্যনির্বাহী কমিটি/মহাসচিব কর্তৃক অর্পিত সকল কাজ তিনি সম্পাদন করবেন।

বৈজ্ঞানিক সম্পাদক

  • মহাসচিবের সঙ্গে পরামর্শক্রমে তিনি বৈজ্ঞানিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ইত্যাদির আয়োজন করবেন।
  • কার্যনির্বাহী কমিটি/মহাসচিব কর্তৃক অর্পিত সকল কাজ তিনি সম্পাদন করবেন।

প্রকাশনা সম্পাদক

  • তিনি সোসাইটির জার্নালের নিয়মিত প্রকাশনা এবং অন্যান্য প্রকাশনার ব্যবস্থা করবেন।
  • কার্যনির্বাহী কমিটি/মহাসচিব কর্তৃক অর্পিত সকল কাজ তিনি সম্পাদন করবেন।

কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ

  • তাঁরা সকল কর্মকাণ্ডে পদাধিকারীদের সঙ্গে সহযোগিতামূলকভাবে কাজ করবেন।
  • তাঁরা সকল কর্মকাণ্ডে পদাধিকারীদের সঙ্গে সহযোগিতামূলকভাবে কাজ করবেন।

উপকমিটি

  • নির্দিষ্ট কার্যাবলি, প্রকল্প ইত্যাদি তদারকির জন্য কার্যনির্বাহী কমিটি সময় সময় উপকমিটি গঠনের ক্ষমতা রাখবে। সোসাইটির যেকোনো সাধারণ সদস্য বা সহযোগী সদস্যকে যেকোনো উপকমিটি গঠনের জন্য কো-অপ্ট (সহযোজন) করা যাবে।
  • বার্ষিক সাধারণ সভা প্রতি ইংরেজি পঞ্জিকাবর্ষের শেষ ত্রৈমাসিকে অনুষ্ঠিত হবে। বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজনের জন্য ন্যূনতম ত্রিশ দিনের নোটিস প্রয়োজন।
  • কার্যনির্বাহী কমিটি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লে অথবা কমিটি সোসাইটির লক্ষ্যের পরিপন্থী কাজ করলে সোসাইটির সাধারণ সদস্যদের অন্তত এক-তৃতীয়াংশের স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত রিকুইজিশনের (অনুরোধপত্র) মাধ্যমে সভা আহ্বানের অনুরোধ করা যাবে। এ ধরনের লিখিত রিকুইজিশনের একুশ দিনের মধ্যে কার্যনির্বাহী কমিটি সভা অনুষ্ঠান করতে ব্যর্থ হলে রিকুইজিশনকারীগণ বা তাঁদের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ সভা অনুষ্ঠান করতে পারবেন।

কোরাম

  • কার্যনির্বাহী কমিটির সভার কোরাম হবে কমিটির সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের উপস্থিতি। বার্ষিক সাধারণ সভার কোরামের জন্য সদস্যদের এক-চতুর্থাংশের উপস্থিত থাকতে হবে। সভাপতি বা সহ-সভাপতি সভায় অনুপস্থিত থাকলে সভায় উপস্থিত সদস্যরা নিজেদের মধ্য থেকে একজনকে সভাপতি নির্বাচিত করে সভা পরিচালনা করবেন।

উপবিধি:

  • প্রয়োজনমতো উপবিধি প্রণয়নের অধিকার কার্যনির্বাহী কমিটির থাকবে। এই উপবিধিগুলো পরবর্তী বার্ষিক সাধারণ সভা বা বিশেষ সাধারণ সভায় অনুমোদন (অনুসমর্থন) করাতে হবে।

চাঁদা ও তহবিল

  • সাধারণ সদস্য ও সহযোগী সদস্যদের বার্ষিক চাঁদা হবে ৫০০/- টাকা। এই হার সময় সময় পরিবর্তনসাপেক্ষ। উভয় শ্রেণিতেই একসঙ্গে ৫০০০/- টাকা চাঁদা দিয়ে আজীবন সদস্য হওয়া যাবে।
  • অন্যান্য তহবিল সরকারের অনুদান, দান ও এনডাউমেন্ট (স্থায়ী দান) থেকে আসবে।

গঠনতন্ত্র সংশোধন

  • গঠনতন্ত্র বা উপবিধির যেকোনো সংশোধনের প্রস্তাব সোসাইটির মোট সাধারণ সদস্যের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় গৃহীত হতে হবে। কোনো সদস্যের সংশোধনী প্রস্তাব বার্ষিক সাধারণ সভার অন্তত তিন মাস আগে লিখিতভাবে মহাসচিবের কাছে পৌঁছাতে হবে।
  • গঠনতন্ত্রের প্রস্তাবিত সংশোধনী, বিলোপ, সংযোজন ইত্যাদি বার্ষিক সাধারণ সভার অন্তত ২ সপ্তাহ আগে প্রত্যেক সদস্যের কাছে পাঠাতে হবে।