এসএনবির সাধারণ সদস্য
- বাংলাদেশের নিউরোলজিস্টগণ সাধারণ সদস্য হবেন।
- বাংলাদেশের যেকোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বা কর্মরত ছিলেন এমন নিউরো-মেডিসিন/নিউরোলজি বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক ও তার ঊর্ধ্বতন পদধারীগণ।
- ইন্টারনাল মেডিসিনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি/ডিপ্লোমাধারী (বিএমডিসি-স্বীকৃত) যেকোনো ব্যক্তি, যিনি বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠানের নিউরো-মেডিসিন/নিউরোলজি বিভাগে সহকারী অধ্যাপকের নিচের পদে অন্তত দুই বছর ধারাবাহিকভাবে কর্মরত আছেন। তিনি নিউরোলজির চাকরি ছেড়ে দিলে তাঁর সদস্যপদ সহযোগী সদস্যপদে পরিবর্তিত হবে।
- সদস্যপদের যোগ্যতা নিয়ে কোনো বিরোধ বা মতভেদ দেখা দিলে তা এই উদ্দেশ্যে কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক গঠিত উপযুক্ত কমিটির কাছে পাঠানো হবে। সেই কমিটির সিদ্ধান্ত কার্যনির্বাহী কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হবে এবং কার্যনির্বাহী কমিটির গৃহীত সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
সহযোগী সদস্য
- সহযোগী সদস্য হবেন মেধা ও সুনামসম্পন্ন একজন মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট, যিনি অন্যান্যভাবে সোসাইটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত। সহযোগী সদস্যের ভোটাধিকার থাকবে না।
সম্মানসূচক সদস্য
- সম্মানসূচক সদস্য হলেন এমন ব্যক্তি, যিনি সদস্য বা সহযোগী সদস্য কোনোটিই নন, কিন্তু অন্যভাবে সোসাইটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এগিয়ে নিতে এবং এর ভাবমূর্তি গড়তে অবদান রেখেছেন; সোসাইটি তাঁকে এই সম্মান প্রদান করবে। সম্মানসূচক সদস্যের ভোটাধিকার থাকবে না।
আজীবন সদস্য
- সাধারণ সদস্য বা সহযোগী সদস্য হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন যেকোনো ব্যক্তি একসঙ্গে ৫০০০/- টাকা চাঁদা দিয়ে আজীবন সদস্য হতে পারবেন। আজীবন সদস্য হিসেবে ভর্তি হওয়ার পর তাঁকে আর বার্ষিক চাঁদা দিতে হবে না। তাঁদের নাম সংগঠনের রেজিস্টারে আজীবন সদস্য হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হবে।
প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
- প্রথম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার দিনের আগে যাঁরা সাধারণ সদস্য হয়েছেন, তাঁরা প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বলে গণ্য হবেন। তাঁরা চাঁদা পরিশোধ করবেন এবং সাধারণ সদস্যদের সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন; সংগঠনের রেজিস্টারে তাঁদের নাম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হবে।